
‘ফ্রম পলিসি টু প্র্যাকটিস: পাওয়ারিং মেরিটাইম এক্সেলেন্স’—‘নীতি থেকে বাস্তবায়ন: মেরিটাইম উৎকর্ষকে শক্তিশালী করা’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি সিলেটে বিশ্ব নৌ দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে।
রবিবার সিলেটের বাদাঘাট এলাকায় একাডেমিতে দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সকালে ফ্যাকাল্টি সদস্য, স্টাফ ও ক্যাডেটদের অংশগ্রহণে মেরিনার নিরাপত্তাবিষয়ক প্ল্যাকার্ড নিয়ে র্যালি বের করা হয়। পরে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিবের বাণী প্রচার, নৌ-প্রশিক্ষণবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্য সমুদ্রপথের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তাই নিরাপদ নৌপথ, আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনা ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি বৈশ্বিক মেরিটাইম সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।
মেরিন ক্যাডেটদের পেশাগত যোগ্যতা, সততা ও শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এসব বিষয় চর্চা করলে তাদের পেশাগত যাত্রা আরও সুন্দর হবে। একই সঙ্গে সমুদ্রপথের অস্থিরতার প্রভাব জ্বালানি, আমদানি-রপ্তানি ও নিত্যপণ্যের বাজারে পড়ায় সমুদ্র নিরাপত্তাকে জাতীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সমাপনী বক্তব্যে একাডেমির কমান্ড্যান্ট নৌপ্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ সমুদ্রপথে পরিচালিত হচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিভিন্ন সংকটে মেরিনারদের নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে মেরিনারদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য আইএমওকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।