
যশোর প্রতিনিধি
যশোর সদর উপজেলার ১৩ নং কচুয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মোশারফ হোসেন ও তার শ্যালক হাফিজুর রহমান রাসেলের ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায়
প্রতারক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয় মামলা নং(২০৯২/২৫) যশোর সদরের কচুয়া ঘোপ গ্রামের মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রহমত আলী অভিযোগটি আমলে নিয়ে আসামির প্রতি সমন জারির আদেশ দেন। রবিউল ইসলাম সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের সিরাজসিংগা গ্রামের নুরআলী মোড়লের ছেলে।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, মোশারফ হোসেনের শ্যালক হাফিজুর রহমান রাসেলের পূর্ব পরিচিত আসামি রবিউল ইসলাম। মোশারফ হোসেনের ৪ শ্যালককে ভালো বেতনে চাকরি দেওয়ার নামে মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রস্তাব দেয়। রবিউলের প্রস্তাবে রাজি হয়ে তিনি তার ৪ (চার) চাচাতো শ্যালককে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ২০২২ সালের ১ জুন ১২ লাখ ২০ হাজার ও পরে আরও ১ লাখ টাকা দেন।
কিন্তু রবিউল তাদের মালয়েশিয়া পাঠাতে ব্যর্থ হয়। তখন রবিউলের কাছে টাকা ফেরত চায়লে দিতে স্বীকার করে। ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট রবিউল গ্রাম্য সালিশে টাকা পরিশোধ করে দেয়ার অঙ্গীকার করে স্টাম্পে চুক্তিনামা করে দেয়। টাকা পরিশোধের ধার্য দিন শেষ হওয়ার পর রবিউলের কাছে টাকা চাইলে না দিয়ে ঘোরাতে থাকে।
চলতি বছরের ৯ মে সালিশে হাজির হয়ে রবিউল টাকা দিতে অস্বীকার করে চলে যায়। পাওনা টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে মোশারফ হোসেন প্রতারণার অভিযোগে আদালতে এ মামলা করেছেন।
প্রতারক রবিউল ইসলাম শুধু মোশারফ হোসেন ও তার শ্যালকদের কাছ থেকে নয়, প্রায় অর্ধশত পরিবারের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বিদেশে পাঠানোর নামে, এ কারণে প্রতারক রবিউল ইসলাম ও তার পরিবারসহ সিরাজসিংগা গ্রাম থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়।
এসব বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতারক রবিউল ইসলামসহ ওই চক্রকে আটকের জন্য তৎপর রয়েছে বলে জানা গেছে।