ষ্টাফ রিপোর্টার
যুক্তরাজ্যের ডানস্টেবল এলাকায় দির্ঘদিন বাসাটি এজেন্টের মাধ্যমে ভাড়া ছিয়েছিলেন
তারপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন তার নিজেই বাসাটি ভাড়া দেওয়ার। এক পর্যায়ে মোঃ মালেকুর রহমান নামে প্রবাসী এক বাংলাদেশী একটি রুম ভাড়া নেওয়ার আগ্রহী হন । তার বাড়ী সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার এনাশেতপুর গোতগাঁও,গ্রামে। এসময় বাসার মালিক নজরুল ইসলামকে জানান তিনি কেয়ারার ভিসায় বৃটেনে অবস্থান করছেন। এসময় তার অসয়াত্বের কথা বিবেচনা করে বাসার মালিক নজরুল ইসলাম নির্ধারীত ভাড়ার চেয়ে ১০০ পাউন্ড কমে ভাড়া দিতে রাজি হয়ে যান এবং ভাড়াটে মালেকুর রহমানে কাছ থেকে ডিপোজিট না নেবার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর ভাড়াটে মালেকুর রহমানের সাথে গত ২০২৫ সালের ১ আগস্ট বাসা ভাড়ার চুক্তি হয়। তারপর ৩ মাস যেতে না যেতেই পাশের রুমের এক ছাত্রীর সাথে ভাড়াটে মোঃ মালেকুর রহমান অশুভ আচরন করেছেন বলে বাসার মলিক নজরুল ইসলামর কাছে জানায়। বাসার মালিক নিজে বাসায় গিয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষন করেন এবং ভাড়াটে মোঃ মালেকুর রহমান এরকম আর করবেননা বলে আশ্বাস দেয়। কিন্তু, ভাড়াটে মোঃ মালেকুর রহমানের বিরুদ্ধে আবারও ছাত্রীটি আবারও লিখিত অভিযোগ করে। অভিযোগের পর বাসার মালিক সাথে সাথে ভাড়াটে মোঃ মালেকুর রহমানকে বাসা ছাড়ার নোটিশ প্রদান করেন। তারপরই মোঃ মালেকুর রহমানে মুখোশ খুলে ভিন্ন রুপ ধারন করেন। শুরু করেন একের পর এক ষড়জন্ত্র। প্রথমে বাসার ভাড়া আটকে দেন। এবং বাসা না ছাড়ার নানা টালবাহানা শুরু করেন। গত ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর পুলিশে ফোন করে সাহায্য চান। মোঃ মালেকুর রহমান পুলিশকে জানান তার বুকে চাকু ধরে এবং তার স্ত্রীর গলায় টিপ দিয়ে একজন পালিয়ে গেছে। মোঃ মালেকুর রহমান তার নাটক সাজাতে আপ্রাণ চেষ্ঠা করেছিল। কিন্তু ঘটনা স্থলে পুলিশ এসে মালেকুর রহমান এবং তার স্ত্রী তসলিমা চৌধুরীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। কিন্তু তাতেও সুবিধা করতে পারেনি মোঃ মালেকুর রহমান। পুলিশ তাদের দুই জনের কথায় কাজের কোনো মিল খোঁজে পায়নি।
তার পরের দিন ২০২৫ সালের ৮ডিসেম্ভর বাসার মালিক সকালে গিয়ে দেখেন সিটিং রুমের তালা ভাঙ্গা এবং বাইরে থেকে দরজা আটকানো। রুমের ভেতরে গিয়ে দেখা যায় রুমপর মালামাল এলোমেলো, মোঃ মালেকুর রহমানের সাথে চুক্তিনামার আসল কপি, বাসা ভাড়া আদায়ের রশিদসহ আরো কিছু জরুরী কাগজপত্র এবং ড্রয়ার থেকে নগদ ৮০০ পাউন্ড নেই। এ কাজটি কার দ্বারা সংঘটিত হয়েছে তা কারোর বুঝার বাকী থাকলনা। এ ঘটনার পরে মোঃ মালেকুর রহমান মোবাইল ডিসেম্বর মাসের ভাড়া পরিশোধ করেছেন বলে মোবাইলে ছবি পাঠান। তাও ভাড়া আদায়কারীর সাক্ষর ছাড়া। বাসার মালিক নজরুল ইসলাম ভাড়া আদায়কারীর সাক্ষর সহ রিসিট তাকে দেখানোর অনুরুদ করেন। এতে মালেকুর রহমান ২/৩ দিন সময় চান। কিন্তু তার চেয়ে আরো বেশী সময় অতিবাহিত হবার পরও তিনি ফোনে মেসেজ লিখে জানান ডিসেম্বর ২০২৫ সালের ভাড়ার কপিটি তিনি দেখাতে পারেননি। তিনি বলেন ভুল করে কাপড় ধোয়ার মেশিনে দিয়ে ফেলেছেন। এরপর মসলেকুর রহমাম সে নিজে বাসার একটি জাল চুক্তিনামা তৈরী করে সে নগদে ৩০০ পাউন্ড জামানত হিসেবে দিয়েছিল বলে দাবি করে। এবং সেটিও মোবাইলে ছবি পাঠায়। বাসার মালিক নজরুল ইসলাম ভাড়াটে মালেকুর রহমানকে চুক্তিটির কপি দিতে বলেন কিন্তু সে কপিটি লন্ডনে তার এক আত্মীয় এর বাসায় রাখা পরে এনে দিচ্ছেন বলে এড়িয়ে যান। সে বাসা ছাড়ার সময় তার মালামালের সাথে বাসার মালিকের ব্যবহারকৃত কিছু জিনিষপত্র মালিকের অগোচরে নিয়ে যায়। বাসার মালিক এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি কিছুই জানেন না এবং বলেন তিনি চোর না। এসব কৃতকর্মের কারনে এদেশে অনেক ভালো মানুষকে সহজে কেউ ঠাঁই দেবেনা।