May 21, 2026, 6:12 am

স্কোয়াড ঘোষণা করলেও বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে রহস্যময় ইঙ্গিত পাকিস্তানের নির্বাচকের

বিশেষ প্রতিনিধি

 

স্কোয়াড ঘোষণা করলেও বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে রহস্যময় ইঙ্গিত পাকিস্তানের নির্বাচকের

 

খেলা ডেস্ক

বাংলাদেশকে বাদ দেয়ার পর আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান অংশ নেবে কি না সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। এরই মধ্যে রোববার (২৫ জানুয়ারি) স্কোয়াড ঘোষণা করে দিয়েছে পাকিস্তান। এর মধ্য দিয়ে তাদের বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত হয়ে গেছে বলে ধরে নিয়েছিলেন অনেকে। তবে বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ নিয়ে রহস্য এখনো শেষ হয়নি। এই রহস্যের জন্ম দিয়েছেন পিসিবির ডিরেক্টর (হাই পারফরম্যান্স) ও জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য আকিব জাভেদ। প্রতিবেদন হিন্দুস্তান টাইমসের।

পিসিবির এই কর্তা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, নির্বাচকদের এখতিয়ার দল বাছাই পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। এর পরের সিদ্ধান্ত সরকারের। অর্থাৎ পাকিস্তান দল নির্বাচন করেছে ঠিকই, কিন্তু বিশ্বকাপে খেলা হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

স্কোয়াড ঘোষণার পর ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় আকিব জাভেদ বলেন, ‘আমরা নির্বাচক, আমাদের কাজ দল নির্বাচন করা। আমরা সময়সীমার একেবারে কাছাকাছি এসে দল ঘোষণা করেছি। কিন্তু অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারি না। চেয়ারম্যানও একই কথা বলেছেন। তাই আমরা সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’

এদিকে, বয়কটের সম্ভাবনার কথা জানানোয় আইসিসি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সম্পর্ক গুরুতর সংকটে পড়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির প্রকাশ্য মন্তব্যে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা চরম অসন্তুষ্ট।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তান যদি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে আইসিসি। যা তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ভবিষ্যৎই বদলে দিতে পারে।

যদি পাকিস্তান সত্যিই বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে আইসিসি নজিরবিহীন শাস্তি দিতে প্রস্তুত বলে জানা যাচ্ছে, যার ফলে পাকিস্তান সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে। সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে রয়েছে—সব দ্বিপাক্ষিক সিরিজ স্থগিত, এশিয়া কাপ থেকে বাদ পড়া এবং সদস্য বোর্ডগুলোর মধ্যে সমন্বিত “নো এনওসি” নীতি, যাতে বিদেশি তারকারা পিএসএলে খেলতে না পারেন।

সূত্রের দাবি, এসব পদক্ষেপ কার্যকর হলে পাকিস্তান কার্যত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে এবং পিসিবির রাজস্ব ও ঘরোয়া ক্রিকেটের বাণিজ্যিক কাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমনকি বড় আইসিসি টুর্নামেন্ট ছাড়া জাতীয় দলের আর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচই নাও থাকতে পারে।